পালি ব্যাকরণ পর্ব-১
![]() |
| পালি ব্যাকরণ পর্ব-১ |
পালি ব্যাকরণঃ
পালি বর্ণ মালার পরিচিতঃ
বর্ণ বা অক্ষরের সমন্বয়ে শব্দ তৈরি হয়। বর্ণ যথাস্থানে প্রয়োগ করতে না পারলে গঠিত শব্দ অর্থহীন হয়। এক বা একাধিক শব্দ প্রয়োগ করে আমরা মনের ভাব প্রকাশ করি অর্থাৎ বাক্য গঠন করি। শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশকে বর্ণ বা অক্ষর বলে। বর্ণগুলো এক একটি ধ্বনি। এক বা একাধিক ধ্বনিসমষ্টি যখন একটি অর্থ প্রকাশ করে তাকে শব্দ বলে। পালি ভাষায় অক্ষর বা বর্ণের সংখ্যা ৪২টি (একচল্লিশটি)। তন্মধ্যে ৮টি (আটাটি) স্বরবর্ণ ও ৩৩টি (তেত্রিশটি) ব্যঞ্জনবর্ণ।
স্বরবর্ণঃ
স্বরবর্ণ হচ্ছে আটটি। ইংরেজি রোমান অক্ষরসহ যথাক্রমে -
অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, এ, ও
a, a, i, i, u, u, e, o
অ(a), ই(i), উ(u) এ তিনটি বর্ণ উচ্চারণের সময় কম লাগে বিধায় এদের হৃস্ব স্বর বলে। অবশিষ্ট আ(a), ঈ(i), এ(e), এবং ও(o) এ পাঁচটি বর্ণ উচ্চারণের সময় অপেক্ষাকৃত বেশী লাগে বিধায় এদের বলা হয় দীর্ঘস্বর।
ব্যঞ্জনবর্ণঃ
যে সব স্বরবর্ণের সাহায্য ব্যতিত উচ্চারিত হয় না, তাকে ব্যঞ্জনবর্ণ (ব্যঞ্জনা) বলে।
ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৩টি (তেত্রিশটি)। ইংরেজি রোমান অক্ষরসহ যথাক্রমে -
K L M N O P Q R S T
k kh g gh n c ch j jh n
U V W X Y Z __ ' a b
t th d dh n t th d dh n
c d e f g h i j e m
p ph b bh m y r l v s
n j s
h l m
বর্গসমূহের প্রথম,দ্বিতীয় ও স বর্ণকে অঘোস বর্ণ বলে। বর্ণসমূহের তৃতীয়, চতুর্থ,পঞ্চম বর্ণ এবং য,র,ল,ব,হ এই বর্ণ পাঁচটিকে ঘোষ বর্ণ বলে।ং(অনুস্বারকে) নিগ্রথিত বলে।
এছাড়া বর্গের প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম বর্ণকে অল্পপ্রাণ ও বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণকে মহাপ্রাণ বর্ণ বলে। ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি ব্যঞ্জনবর্ণকে স্পর্শ বর্ণ, য,র ল,ব- এ চারটি বর্ণকে অন্তঃস্থ বর্ণ এবং স হ -এ দুটি বর্ণকে উষ্মবর্ণ বলে।
ভুল ত্রুটির হলে ক্ষমা দৃষ্টিতে নিতে ও কমেন্টের অনুরোধ রইল।
ধন্যবাদ -

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন