পালি ব্যাকরণ পর্ব -২


পালি বর্ণের পরিচয়।

ক হতে ম পর্যন্ত ২৫টি বর্ণ উচ্চারণের সময় জিহ্বার সাথে কন্ঠ, তালু, মূর্ধা ও ওষ্ঠের স্পর্শ হয় বলে এদের স্পর্শ বর্ণ বলে। স্পর্শ বর্ণ গুলি পাঁচটি বর্গের অন্তর্গত বলে এদের বর্গীয়বর্ণও বলে।

বর্গের আদ্যক্ষর যোগে বর্গের নাম হয়। যথাঃ-

ক-বর্গ

চ-বর্গ

ট-বর্গ

ত-বর্গ

প-বর্গ


কন্ঠ বর্ণ- ক বর্গের বর্ণগুলি উচ্চারণের সময় জিহ্বা কন্ঠ স্পর্শ করে বলে এদেরকে কন্ঠ বর্ণ বলে।

যেমন- ক,খ,গ,ঘ,ঙ।


তালব্য বর্ণ - চ-বর্গের বর্ণগুলি উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালু স্পর্শ করে বলে এদেরকে তালব্য বর্ণ বলে। 

যেমন- চ,ছ,জ,ঝ,ঞ।


মূর্ধন্য বর্ণ - ট-বর্গের বর্ণ গুলি উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালু স্পর্শ করে বলে এদেরকে মূর্ধন্য বর্ণ বলে। 

যেমন-ট,ঠ,ড,ঢ ণ।


দন্ত্য বর্ণ - ত-বর্গের বর্ণ গুলি উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ দন্ত করে বলে এদের দন্ত্য বর্ণ বলে। 

যেমন-ত,থ,দ,ধ,ন।


ওষ্ঠ বর্ণ - প-বর্গের বর্ণ গুলি উচ্চারণের সময় ওষ্ঠ ও অধর মিলন ঘটে বলে এদের ওষ্ঠ বর্ণ বলে।

 যেমন-প,ফ,ব,ভ,ম।


অন্তঃস্থ বর্ণ - য,র,ল,ব,ল এ পাঁচটি বর্ণ স্পর্শ ও উষ্ম বর্ণের মধ্যবত্তী স্থানে অবস্থিত বলে এদেরকে অন্তঃস্থ বর্ণ বলে।


উষ্ম বর্ণ - স,হ এই দুইটি বর্ণ উচ্চারণ করার সময় শ্বাস বায়ুর প্রধান্য ঘটে বলে কিঞ্চিৎ উষ্ম সৃষ্টি হয়,সেজন্য এদের দুইটিকে উষ্ম বর্ণ বলে।

অযোগবাহু বর্ণ - ং এর বর্ণটি সর্বদা স্বরের অনুতে অথাৎ পরে ব্যবহৃত হয় বলে একে অনুস্বার বলে, এই বর্ণটি সঙ্গে স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের যোগে বা মিলন নাই অথচ বর্ণের পরে বসে কার্য নিবাহ করে তাই এই বর্ণটিকে অযোগ বর্ণ বলে।

অঘোঢ বর্ণ - বর্গসমূহের প্রথম,দ্বিতীয় ও স উচ্চারণের সময় বায়ুশ্বাস মৃদু হয় বলে এদেরকে অঘোস বর্ণ বলে। 

ঘোষ বর্ণ - বর্ণসমূহের তৃতীয়, চতুর্থ,পঞ্চম বর্ণ এবং য,র,ল,ব,হ উচ্চারণ গম্ভীর বলে এদেরকে ঘোষ বর্ণ বলে।

অল্পপ্রাণ বর্ণ -  প্রত্যেক বর্গের প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম বর্ণের উচ্চারণ কোমল বলে এদেরকে অল্পপ্রাণ বর্ণ বলে।

 মহাপ্রাণ বর্ণ - প্রত্যেক বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণকে উচ্চারণ কঠিন বলে এদেরকে মহাপ্রাণ বর্ণ বলে।


ভূল ত্রুটির হলে ক্ষমা দৃষ্টিতে নিবেন এবং কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন।

ধন্যবাদ 

Facebook 

Instagram 

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ